
জন্ম ১৯৮৯ সালের জানুয়ারিতে। স্কুল-কলেজের পাট চুকিয়ে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ইতিহাসে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। ছাত্রজীবনে রাজনীতিতে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। বর্তমান পেশা সাংবাদিকতা। পড়তে ভালোবাসেন, লেখালেখিতে আসক্তি প্রবল। চশমা ছাড়া দুই হাত দূরেও অস্পষ্ট দেখেন।

ঢাকার উত্তর, দক্ষিণ বা পূর্ব, পশ্চিম–যেখানেই যাবেন, মশা থেকে নিস্তার মিলবে না। মশার কামড় খেতে খেতেই চলতে হচ্ছে। এমন অবস্থা অবশ্য গত ১ বছর ধরেই। মশা কারও পিছু ছাড়ছে না। ঢাকা এত বড় একটা শহর, যার দুটি সিটি করপোরেশন আছে, সেই ঢাকাতে এত মশার আবাদ হলো কীভাবে?

এ দেশে এখনো এমন একটি মনোভাব চালু আছে যে, ফ্যাক্ট-চেক করা মানেই সেটি অবধারিত সত্য! এ ধরনের মনোভাব ছড়ানোর পেছনে ফ্যাক্ট-চেকারদেরও অবদান আছে।

সাদামাটা ভাষায় ফ্যাক্ট-চেকিং বলতে বোঝায়, কোনো ঘটনার পেছনের ফ্যাক্টস খুঁজে বের করা। ফ্যাক্টস আদৌ আছে কিনা, বা থাকলে কী কী–এসব বের করা হয় ফ্যাক্ট-চেকিং প্রক্রিয়ায়। ঘটনাটি সত্য কিনা, আদৌ সত্য কিনা, সত্য হলে কতটুকু–এই সবই বের করা হয় ফ্যাক্ট-চেকিং প্রক্রিয়ায়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সরকারপ্রধানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ এমন বিজ্ঞাপন নতুন কিছু নয়। গত আওয়ামী লীগের সরকারের আমল থেকেই এমনটা চলে আসছে। মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোরও এতে বাণিজ্য ভালোই হয়।

এই গণভোট নিয়ে শুরু থেকেই নানা ধরনের বিতর্ক জারি ছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল জুলাই সনদের সব ধারা নিয়ে বা রাষ্ট্রীয় সংস্কারের সব প্রস্তাব নিয়ে একমত হতে পারেনি। জামায়াতে ইসলামী যেমন এতে মোটামুটি রাজিই ছিল। বিএনপি আবার সংস্কারের অনেক প্রস্তাবেও একমত হয়নি।

তাই এই বেলায় বাংলাদেশে ইঞ্জিনিয়ারিংকে আর ইলেকশন থেকে বিযুক্ত করা হয়তো গেল না। এখন বিযুক্তির পথে অন্তত যেন হাঁটা শুরু হয় জোরেশোরে, সেটিই হোক প্রত্যাশা। এ দেশের ম্যাংগো পিপলরা এতটুকু আশা তো করতেই পারে, নাকি!

চারদিকে হই হই রবে চলছে জাতীয় নির্বাচনের প্রচার, নানা আলোচনা। সংঘাতও চলছে, সহিংসতা হচ্ছে। কিন্তু সবকিছুই হচ্ছে ‘ব্যাটাগিরি’র তালে, নারীরা সেখানে যেন অচ্ছুৎ। এবারের নির্বাচনে নারীদের কেমন যেন ‘আউটসাইডার’-এর মতো করে দেখা হচ্ছে, এক পাশে সরিয়ে রাখার মতো অবস্থা! নির্বাচনের আগে নারীরা এতটা ‘নাই’ হয়েছে কবে?

২০২৪ সালের আগস্টে হওয়া গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই অদ্যাবধি বাংলাদেশ যেমন প্রকৃতির শাসন দেখছে, সেসবই ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা গাঢ় করছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, আবারও এক ধরনের চাপিয়ে দেওয়া শাসনব্যবস্থাই এই দেশের মানুষের ঘাড়ে চাপতে যাচ্ছে। এমনকি যে আওয়ামী শাসনকে ফ্যাসিবাদী তকমা দেওয়া হয়েছে, ঠিক তেমন শাসনই অন্য

বেতন বাড়িয়েও ঘুষ, দুর্নীতি, হয়রানি থেকে রেহাই পাওয়ার উপায় নেই। বরং আরও বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা প্রবল। আর এই দেশের ইতিহাসে সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব বিলম্বে হলেও কোনো না কোনো মাত্রায় বাস্তবায়নের দিকেই এগিয়েছে প্রতিবার। তাই যতই অন্তর্বর্তী সরকার বলুক না কেন, তারা এটি বাস্তবায়ন করবে না, করবে প

ঢাকা শহরের বাড়িওয়ালারা মোটাদাগে কেমন? আসলে এই শহরের বাড়িওয়ালাদের মধ্যে সেবাদাতা হওয়ার তাড়না একেবারেই কম। এখানকার বাড়িওয়ালারা আদতে তো সেবাদাতাই। ভাড়াটেরা সেবাগ্রহীতা। সেই হিসাবে মক্কেল হলো ভাড়াটেরা। কিন্তু কয়জন ভাড়াটেকে আর সেভাবে মনে করা হয়! তাই ভাড়াটেরা অনেক ক্ষেত্রেই বাড়িওয়ালার অনুগ্রহের অপেক্ষায় থ

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান একটি বিষয় চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। সেটি হলো, আমাদের দেশের সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদেরই অনেক ক্ষেত্রে ক্ষমতার গুণগ্রাহী হওয়ার খায়েশ আছে ভালোমতোই। তাই স্বাধীন হওয়ার সুযোগ পেলেও এ দেশীয় সংবাদমাধ্যমের সত্যিকারের স্বাধীন হওয়ার সক্ষমতা সেই অর্থে নাই। কারণ, পুঁজি ও মালিকের স্বার্

বর্তমান সরকারের ‘জনপ্রিয়’ হওয়ার ঝোঁক রয়েছে। এটি ভালো। এতে বোঝা যায় যে, এই সরকারের জনগণের সরকার হওয়ার ইচ্ছাটুকু কিছুটা হলেও আছে। অবশ্য জনতার কাছে বেশি জনপ্রিয় হতে চাইলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করাটাই সবচেয়ে জরুরি

শীতের সকাল। একজন নারীকে খুঁটিতে বেঁধে রাখা হয়েছে। চারপাশে পুরুষদের উল্লাস। সবাই হাসছে, আনন্দ করছে। সেই হাসিমুখেই নারীর গায়ে ঢেলে দেওয়া হচ্ছে ঠান্ডা পানি!

একটি স্বাধীন দেশের প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীসহ তুলে নিয়ে গেছে আরেকটি দেশের সেনারা। ভিন্ন দেশে সেই প্রেসিডেন্টের বিচারও শুরু হয়ে গেছে। অন্যদিকে সেই ‘পরাক্রমশালী’ দেশের প্রেসিডেন্ট বলে চলেছেন, তিনি ওই দেশ থেকে তেল নিয়ে নিতে চান। এমনকি আরও কিছু দেশেও হাত দিতে চান।

এখনকার দুনিয়ায় লজ্জা বেশ দুর্লভ বিষয়। পুঁজিবাদী সমাজে এর উপস্থিতি কমে যাচ্ছে আশঙ্কাজনক হারে। তবে কিছু নির্দিষ্ট সংস্থা বা ব্যক্তির অবশ্য লজ্জার শেষ নেই। তারা বেশ নিয়মিত হারে লজ্জিত হন, নিন্দাও জানান। এসব সংস্থার মধ্যে জাতিসংঘ অন্যতম। যদিও বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠে যায় যে, জাতিসংঘের

পূর্ব আফ্রিকার একটি ভূমিবেষ্টিত দেশ উগান্ডা। যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্যার উইনস্টন চার্চিল এই দেশটিকে অভিহিত করেছিলেন ‘দ্য পার্ল অব আফ্রিকা’ নামে। কুখ্যাত স্বৈরশাসক ইদি আমিনের দেশ হিসেবেও উগান্ডা পরিচিতি পেয়েছিল একসময়। সেসব অবশ্য বেশ আগের কথা। চলতি শতাব্দীর শুরুর দশকে বরং মবের দেশ

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের ইতিহাস ঘাঁটলে কিছু বিষয় এক লহমায় চোখের সামনে উঠে আসে। সেই বিষয়গুলো কিছু একক শব্দ দিয়েই বোঝানো সম্ভব। সেসব শব্দ দেখলেই বোঝা হয়ে যায় যে, বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম আসলে কতটা গাড্ডায় আছে!

ফ্যাসিবাদ বললেই বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সবাই বিবেচনা করে একটি রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রনৈতিক ব্যবস্থাকে। কিন্তু ফ্যাসিবাদ একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থাও। এবং এই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে, এটিই ফ্যাসিবাদের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক বন্দোবস্তকে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে।

একাত্তর, একাত্তরের ইতিহাস, একাত্তরের শহীদ, একাত্তরের যোদ্ধা ও যুদ্ধ–সবই এখন বড্ড বেশি একা! একাকীত্ব একাত্তরের আগেও ছিল। রাজনৈতিক, ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠী বা দলগত সংকীর্ণতা, স্বার্থ বা বয়ানের মোড়কে অতীতেও একা ছিল একাত্তর। তবে এতটা জাপ্টে হয়তো ধরেনি কখনো, এতটা আক্রান্তও হয়তো হয়নি।

আমাদের দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোতে এআই-এর অনৈতিক ব্যবহারই বেশি। এ নিয়ে সেভাবে যেহেতু জরিপ বা গবেষণা হয় না, তাই বিষয়টির প্রামাণ্য তথ্য হাজির করা কঠিন। তবে এ দেশে বছরদুয়েক সাংবাদিকতা করা যে কেউ আশা করি এ বিষয়টায় একমত হবেনই। অবাকও হতে পারেন, কারণ এ দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোয় এআই লিটারেসি এতটাই অ, আ, ক, খ পর্যা

Google Zero হলো একটি তত্ত্বের সত্যে পরিণত হওয়ার শঙ্কা। গুগলের সার্চ ইঞ্জিনের একটি নতুন ফিচার হলো এআই ওভারভিউ। গুগলে কোনো বিষয় নিয়ে সার্চ করতে গেলেই এখন চোখের সামনে আগে ভেসে ওঠে এই ফিচার। এতে সার্চ করা বিষয়ের ওপর একটি সামারি বা সারসংক্ষেপ তুলে ধরে গুগলের এআই

গুগল আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি বছরের আগস্ট মাসের শুরুতে এআই ওভারভিউ নিয়ে নিজেদের ব্লগে একটি পোস্ট দেয়। পোস্টটি লিখেছেন গুগল সার্চের প্রধান লিজ রিড। তাতে লিজ দাবি করেছেন, গুগলের সার্চ ইঞ্জিন থেকে ওয়েবসাইটগুলোয় যাওয়া ক্লিকের পরিমাণ বছরওয়ারি হিসেবে এখনো ঠিক আছে। তাতে বড় ধরনের কোনো হ্রাস-বৃদ্ধি হয়নি
অনেক বিশ্লেষক বলছেন, গুগল জিরো আসবে কি, এসেই গেছে আসলে। ওয়েবকেন্দ্রিক অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসা এরই মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও হবে বলে তাদের শঙ্কা। অর্থাৎ, পুরো ই-কমার্স ইকোসিস্টেমই বদলে যেতে পারে।

১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের পর নতুন দেশ হিসেবে উদ্ভব ঘটে বাংলাদেশের। এর পর শুরু হয় দেশের ভেতরে নতুন শাসক ও শোষক শ্রেণির সৃষ্টিপ্রক্রিয়া। বাংলাদেশে এই কাজ সম্পন্ন হতে বেশি সময় লাগেনি। খুব দ্রুতই নতুন ক্ষমতাবান শ্রেণিটি গড়ে ওঠে এবং বছর যত গড়ায়, এই শ্রেণি পরিপুষ্ট হয়ে উঠতে থাকে।

২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ফ্যাসিবাদের এমন লক্ষণ ততটা প্রকট ছিল না। তবে এর পর থেকে দিনকে দিন লক্ষণগুলো প্রকট থেকে প্রকটতর হয়েছে। শেখ হাসিনা নিজেকে পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছেন ক্রমে। তার এমন সমর্থকগোষ্ঠী তৈরি হয়, যারা নানাভাবে এই কেন্দ্রীভূত ও একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে

গবেষকদের মতে, বর্তমানের শাসকদের কাছে এই অংশগ্রহণমূলক ফ্যাসিবাদ সবচেয়ে আদরনীয় পন্থা। কারণ, এতে সাপও মরে, কিন্তু লাঠিও ভাঙে না। এই ব্যবস্থায় একদিকে সমাজে প্রবল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়, অন্যদিকে বিভ্রান্ত জনতাকে বোকাও বানানো যায় এবং ব্যবহারও করা যায়।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাতেও ত্রুটি আছে। এর পক্ষে, বিপক্ষে যুক্তি আছে। কিন্তু মাথা ব্যথা হলে মাথা কেটে ফেলাই যে একমাত্র সমাধান নয়, সেটি বোঝাতেই হয়তো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার ফিরে আসা। এই ফিরে আসা সাফল্যমণ্ডিত হবে কি না, তা অবশ্যই ভবিষ্যৎ বলবে।

ফ্যাসিবাদী শাসনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সহিংসতা। যে কোনো ফ্যাসিবাদী শাসনই ধরনের দিক থেকে সহিংস। এই আদর্শ অনুযায়ী, কড়া শৃঙ্খলা ছাড়া রাষ্ট্রের পক্ষে ক্ষমতা অর্জন ও তা ধরে রাখা সম্ভব নয়।

গত কয়েক বছর ধরেই এই ফ্যাসিজম নিয়ে এ দেশের রাজনৈতিক মহলে নানা কড়চা শোনা যাচ্ছে। কেউ কাউকে ফ্যাসিস্ট বলে অভিধা দিচ্ছে, তো কাউকে বলা হচ্ছে ফ্যাসিস্টের দোসর। কিন্তু ফ্যাসিজম আসলে কী?

রাজনীতিকে যেভাবে দুর্নীতিপরায়ণ করা হয়েছে এবং এন্তার অনৈতিক ভিত্তি দেওয়া হয়েছে, ঠিক সেভাবেই এই দেশটার অর্থনীতিও হয়ে উঠেছে লুটপাটতন্ত্রের আখড়া। চুরি বা ডাকাতি বা দুর্নীতিকে নৈতিক ভিত্তি দেওয়া হয়েছে এ দেশে। ঠিক এমন পরিস্থিতিতেই এই দেশের সমাজব্যবস্থাটিতেও কেমন যেন দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে

জন্মের পর থেকেই বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আসলে এক দুষ্টচক্রের মধ্যে ঘুরপাক খেয়ে যাচ্ছে কেবল। এই ঘুরপাকের শেষের কোনো শুরু আর দেখা যাচ্ছে না আদতে। ফলে এই লেখার শিরোনামে করা প্রশ্নের উত্তর জনসাধারণে খুঁজলে হয়তো একটি উত্তরই মিলবে। সেটি হলো—বিপথে!

গবেষকরা বলছেন, মব জাস্টিস জন্মের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে অকার্যকর বিচার বিভাগ। এই বিভাগের ওপর যখন সাধারণ মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলে, কোনোভাবেই যখন প্রচলিত ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় বিশ্বাস ফেরাতে পারে না, তখনই মব নিজেরাই জাস্টিস প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করে।

ফ্যাসিজম বা ফ্যাসিস্ট শব্দ দুটি উচ্চারিত হলেই মূলত দুটি ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। একটি হচ্ছে নাৎসি জার্মানির বা হিটলারের জার্মানির। অন্যটি হচ্ছে বেনিতো মুসোলিনির ইতালি। এই দুটি হলো প্রমাণিত সত্যের মতো ফ্যাসিজমের উদাহরণ।

‘বুদ্ধিজীবীরা যা বলতেন, শুনলে বাংলাদেশ স্বাধীন হত না। এখন যা বলছেন, শুনলে বাংলাদেশের সমাজ–কাঠামোর আমূল পরিবর্তন হবে না।’ প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে সদ্য জন্ম নেওয়া একটি দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক বিন্যাস নিয়ে লিখতে বসে শুরুতেই এমন মন্তব্য করেছিলেন আহমদ ছফা

রাজধানী শহর ঢাকার রাস্তায় সব যানই যেন রাজা বনে যায়। চলে যে যার ইচ্ছেমতো। এ সমস্যা কি সমাধানের অযোগ্য? না, কখনোই নয়। সমাধান করার সৎ চেষ্টা থাকলে, এই পৃথিবীতে সব সমস্যারই সমাধান করা সম্ভব। এর জন্য প্রকৃত ইচ্ছা থাকতে হবে।

কোয়ান্টাম কম্পিউটার দেখতে সাধারণ কম্পিউটারের মতো নয়। অনেক ধাতব সিলিন্ডার ও প্যাঁচানো তারে তৈরি কিম্ভূতকিমাকার এই যন্ত্রটি। কোয়ান্টাম মেকানিকসের জটিল সমীকরণ কাজে লাগিয়ে গাণিতিক সব সমস্যার সমাধান করবে এটি।

জেটা‑ক্লাস সুপারকম্পিউটার তৈরির স্বপ্নই এতদিন সবাই দেখেছে, কেউ বাস্তবে রূপ দিতে পারেনি। বলা হয়েছে, এই সুপারকম্পিউটার কাজ করবে জেটাফ্লপস গতিতে। পুরোপুরি কর্মক্ষম হলে এই সুপারকম্পিউটার আজকের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটারের চেয়েও ১০০০ গুণ বেশি গতিতে কাজ করতে পারবে।

মানবসভ্যতার শুরুটা হয়েছিল মানুষের গোষ্ঠীবদ্ধতার মধ্য দিয়ে। গোষ্ঠী গঠন হওয়ার পরই আসে তার নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গ। এই প্রক্রিয়াতেই ধীরে রাজ্য বা সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন হয়। রাজা বা সম্রাটের শাসনকাল শুরু হয়। অতিসরলীকরণ মনে হলেও বংশানুক্রমিক শাসনের ইতিহাস এ রকমই। এরপর ধীরে ধীরে আসে গণতন্ত্রের ধারণা।

গণপিটুনি আসলে কেমন ক্রিয়া? সাধারণত অনেক মানুষ জোটবদ্ধ হয়ে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে একই উদ্দেশে পেটায় এই প্রক্রিয়ায়। অর্থাৎ, এই পিটুনি এক ধরনের শাস্তি প্রদান প্রক্রিয়া। প্রচলিত কোনো আইনের তোয়াক্কা না করেই, সমাজের মানুষ গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে এমন শাস্তি প্রদান করে থাকে।

যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে মধ্যবিত্তের উত্থানকে বিবেচনা করা হয়। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সমাজতাত্ত্বিকদের মত হচ্ছে, একটি দেশে যখন মধ্যবিত্তের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে, তখন সে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শক্ত ভিত্তি পায়।